We deliver to you every day from 7:00 to 23:00
Best Discounts
The best discounts this week
Every week you can find the best discounts here.
2,499.00৳
বাগানবিলাস (ডবল কালার)
999.00৳
সুইট ক্লক ভাইন (বড় বালতি)
450.00৳
এডেনিয়াম
899.00৳
এরোমেটিক জুই বড় বালতি
1,200.00৳
পাউডার পাফ
999.00৳
টিকোমা
কদম ফুল
কদম হলো বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী ফুলজ গাছ, যা তার গুঁড়োর মতো ঘন ঝুলন্ত সোনালি ফুলের জন্য পরিচিত। এই গাছ শুধু সুন্দরই নয়, বরং এর সুবাসও মনকে প্রফুল্ল করে। কদম গাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায়, বড় হয় এবং ছায়া দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। এটি বাগান, রাস্তার পাশে বা বড় আঙিনায় লাগানোর জন্য একেবারে উপযুক্ত। এছাড়াও ফুলের ঐতিহ্যবাহী ও ধর্মীয় ব্যবহার রয়েছে।
বিশেষত্ব:
ঘন ঝুলন্ত সোনালি ফুল
দ্রুত বৃদ্ধি পায় ও বড় হয়
বাগান, রাস্তার পাশে ও ছাদবাগানের জন্য মানানসই
ফুলের সুবাস পরিবেশকে প্রাণবন্ত করে
ঐতিহ্যবাহী ও ধর্মীয় গুরুত্ব রয়েছে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: পূর্ণ সূর্যালোক প্রয়োজন।
পানি: নিয়মিত পানি দিন, তবে জলাবদ্ধতা এড়িয়ে চলুন।
মাটি: উর্বর ও ঝুরঝুরে মাটি ব্যবহার করুন।
সার: বছরে ২–৩ বার জৈব বা কম্পোস্ট সার দিলে গাছ সুস্থ ও ফুলবহুল থাকে।
ছাঁটাই: ফুল ফোটা শেষ হলে হালকা ছাঁটাই করলে গাছ ঘন হয় ও নতুন কুঁড়ি ফোটে।
উপযোগী ব্যবহার: বাগান, রাস্তার পাশে, ছাদবাগান জন্য অনন্য সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
ক্রিসমাস ট্রি
একটি সুপরিচিত শোভাময় গাছ, যা উৎসব ও আনন্দের প্রতীক হিসেবে জনপ্রিয়। মূলত “Norfolk Island Pine” নামেও পরিচিত এই গাছটি দেখতে পাইন গাছের মতো হলেও এটি এক ধরনের অরণ্যমূল গাছ। এর সোজা কান্ড ও শাখা-প্রশাখায় সমানভাবে ছড়ানো সবুজ পাতাগুলো গাছটিকে দেয় রাজকীয় সৌন্দর্য। ঘরের ভেতর বা বারান্দায় টবে লাগানো যায় এবং বড় জায়গায় মাটিতেও লাগানো সম্ভব। দীর্ঘদিন বেঁচে থাকা ও সহজ পরিচর্যার কারণে এটি ইনডোর এবং আউটডোর উভয় পরিবেশের জন্য দারুণ উপযোগী।
বিশেষত্ব:
উৎসব ও আনন্দের প্রতীক
গাঢ় সবুজ নরম পাতা ও সুন্দর গঠন
ইনডোরে টবে বা আউটডোরে বাগানে সহজে মানিয়ে যায়
দীর্ঘদিন বেঁচে থাকা ও ধীরগতির বৃদ্ধি
বাড়ি, অফিস বা রিসোর্ট সাজানোর জন্য আদর্শ
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: উজ্জ্বল পরোক্ষ আলো সবচেয়ে উপযোগী; ইনডোরে জানালার পাশে রাখুন।
পানি: সপ্তাহে ২–৩ বার পানি দিন; মাটি আর্দ্র রাখুন কিন্তু জলাবদ্ধ করবেন না।
মাটি: বালুমিশ্রিত ঝুরঝুরে ও ড্রেনেজযুক্ত মাটি ব্যবহার করুন।
সার: প্রতি ২–৩ মাস অন্তর হালকা জৈব সার দিলে গাছ সতেজ থাকে।
পরিচর্যা: গাছকে অতিরিক্ত রোদে বা অতিরিক্ত শুষ্ক পরিবেশে রাখবেন না।
উপযোগী ব্যবহার: লিভিং রুম, অফিস, হোটেল লবি কিংবা উৎসবের সময় ঘর সাজানোর জন্য উপযুক্ত।
কস্টাস (Costus Plant / Spiral Ginger)
একটি বহুল জনপ্রিয় শোভাবর্ধক ও ঔষধি গুণসম্পন্ন গাছ। এর সর্পিলাকৃতির কান্ড ও উজ্জ্বল সবুজ পাতা একে অন্য গাছ থেকে আলাদা করে তোলে। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে সহজেই বেড়ে ওঠা এই গাছের লাল বা হলুদ ফুল দারুণ দৃষ্টিনন্দন। কস্টাস শুধু সৌন্দর্যের জন্যই নয়, ঐতিহ্যগতভাবে এর নানা ঔষধি গুণও পরিচিত। বাগান, বারান্দা বা আঙিনায় রঙিন পরিবেশ তৈরি করতে এটি একটি অসাধারণ পছন্দ।
বিশেষত্ব:
সর্পিল (Spiral) কান্ডের অনন্য গঠন
লাল, হলুদ বা কমলা রঙের আকর্ষণীয় ফুল
সহজ পরিচর্যা ও দ্রুত বর্ধনশীল গাছ
ঐতিহ্যগতভাবে ঔষধি গুণে সমৃদ্ধ
বারান্দা, বাগান ও আঙিনা সাজানোর জন্য উপযুক্ত
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: অর্ধছায়া থেকে আংশিক রোদে ভালো জন্মে।
পানি: নিয়মিত পানি দিন; মাটি আর্দ্র রাখতে হবে তবে জলাবদ্ধতা এড়াতে হবে।
মাটি: উর্বর, ঝুরঝুরে ও ভালো ড্রেনেজযুক্ত মাটি ব্যবহার করুন।
সার: মাসে ১ বার জৈব সার দিলে গাছ সবল থাকে এবং ফুল ফোটে।
পরিচর্যা: শুকনো পাতা কেটে ফেলুন এবং প্রয়োজনে পুরনো কান্ড ছেঁটে নতুন কুঁড়ি গজাতে উৎসাহ দিন।
উপযোগী ব্যবহার: বাড়ির আঙিনা, লন, রিসোর্ট বা বাগানে প্রাকৃতিক সবুজ ও রঙিন সৌন্দর্য যোগ করতে কস্টাস একটি চমৎকার গাছ।
হোমলোমেনা
একটি দৃষ্টিনন্দন ইনডোর প্লান্ট, যা এর গাঢ় সবুজ ও চকচকে পাতার জন্য বিখ্যাত। এই গাছ কম আলোতেও ভালোভাবে বেড়ে ওঠে, ফলে ঘর, অফিস কিংবা যেকোনো ইনডোর স্পেস সাজাতে এটি একটি অসাধারণ পছন্দ। বাতাস পরিশোধনের ক্ষমতা থাকায় এটি শুধু সৌন্দর্যই বাড়ায় না, বরং ঘরের পরিবেশকেও করে তোলে আরও স্বাস্থ্যকর ও সতেজ। কম যত্নে দীর্ঘদিন টিকে থাকার কারণে ব্যস্ত মানুষদের জন্য হোমলোমেনা একটি আদর্শ গাছ।
বিশেষত্ব:
গাঢ় সবুজ, চকচকে দৃষ্টিনন্দন পাতা
এয়ার পিউরিফায়ার হিসেবে কার্যকর
কম আলোতেও সহজে মানিয়ে নিতে সক্ষম
সহজ পরিচর্যা ও দীর্ঘস্থায়ী গাছ
ঘরের সৌন্দর্য ও সতেজতা বৃদ্ধি করে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: উজ্জ্বল কিন্তু পরোক্ষ আলো সবচেয়ে ভালো; অল্প আলোতেও টিকে থাকে।
পানি: সপ্তাহে ২–৩ বার পানি দিন; মাটি সামান্য শুকিয়ে গেলে পানি দেওয়া শ্রেয়।
মাটি: ঝুরঝুরে ও ড্রেনেজযুক্ত মাটি ব্যবহার করুন।
সার: প্রতি ২–৩ মাস অন্তর জৈব বা তরল সার দিলে গাছ আরও সবল হয়।
পরিচর্যা: পুরনো বা শুকনো পাতা সরিয়ে ফেললে গাছ সতেজ থাকে।
উপযোগী ব্যবহার: শোবার ঘর, লিভিং রুম, অফিস, হোটেল বা রেস্টুরেন্টের কর্নার সাজানোর জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
অ্যারোহেড সিঙ্গোনিয়াম
একটি আকর্ষণীয় ইনডোর শোভাবর্ধক গাছ, যার পাতা তীরের মাথার মতো আকৃতির হওয়ায় এর নামকরণ হয়েছে। সবুজ, গোলাপি বা সাদা-সবুজ মিশ্র রঙের পাতার জন্য এই গাছ ঘর বা অফিসে এনে দেয় সতেজতা ও প্রাকৃতিক আভিজাত্য। এটি কম আলোতেও টিকে থাকে, দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ঝুলন্ত বা টেবিল টবে সমানভাবে মানানসই। ব্যস্ত মানুষদের জন্য সহজ পরিচর্যার কারণে এটি অন্যতম জনপ্রিয় ইনডোর প্লান্ট।
বিশেষত্ব:
তীর-আকৃতির দৃষ্টিনন্দন পাতা
ইনডোরে কম আলোতেও সহজে টিকে থাকে
এয়ার পিউরিফায়ার হিসেবে কাজ করে
দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং সহজে বংশবিস্তার হয়
ঝুলন্ত ঝুড়ি, ডেস্ক টব বা জানালার পাশে মানানসই
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: উজ্জ্বল কিন্তু পরোক্ষ আলো সবচেয়ে উপযোগী; সরাসরি রোদে পাতার ক্ষতি হতে পারে।
পানি: মাটি সামান্য শুকালে পানি দিন; অতিরিক্ত পানি থেকে বিরত থাকুন।
মাটি: ঝুরঝুরে ও ড্রেনেজযুক্ত মাটি (বাগান মাটি : নারিকেলের ছোবড়া : বালি = ২:১:১)।
সার: প্রতি ২–৩ মাস অন্তর জৈব সার বা তরল সার ব্যবহার করলে গাছ সতেজ থাকে।
পরিচর্যা: পুরনো বা হলদে পাতা কেটে ফেলুন; চাইলে পানিভর্তি বোতলে ডাল ভিজিয়েও নতুন গাছ তৈরি করা যায়।
উপযোগী ব্যবহার: শোবার ঘর, অফিস ডেস্ক, লিভিং রুম বা জানালার পাশে প্রাকৃতিক সবুজ আভা যোগ করতে আদর্শ।
স্পাইডার প্লান্ট
একটি জনপ্রিয় ইনডোর শোভাবর্ধক গাছ, যা এর সরু সবুজ-সাদা ডোরা কাটা পাতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। বাতাস পরিশোধনের ক্ষমতার কারণে এটি ঘর বা অফিসে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করে। সহজে বংশবিস্তার হয় এবং টব কিংবা ঝুলন্ত ঝুড়িতে লাগালে দারুণ শোভা পায়। ব্যস্ত মানুষ কিংবা নতুন গাছপ্রেমীদের জন্য এটি অন্যতম সেরা পছন্দ।
বিশেষত্ব:
প্রাকৃতিক এয়ার পিউরিফায়ার
সহজে বংশবিস্তার (ছোট “বেবি” প্লান্ট ঝুলে থাকে)
ঝুলন্ত টব বা টেবিল টবে সমানভাবে আকর্ষণীয়
কম যত্নেও দ্রুত বৃদ্ধি পায়
ইনডোর পরিবেশ সতেজ রাখে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: উজ্জ্বল কিন্তু পরোক্ষ আলো সবচেয়ে ভালো; কম আলোতেও টিকে থাকে।
পানি: মাটি সামান্য শুকালে পানি দিন; জলাবদ্ধতা এড়িয়ে চলুন।
মাটি: ঝুরঝুরে ও ড্রেনেজযুক্ত মাটি ব্যবহার করুন।
সার: প্রতি ২–৩ মাস অন্তর হালকা জৈব সার বা তরল সার ব্যবহার করতে পারেন।
পরিচর্যা: ঝুলে থাকা “বেবি প্লান্ট” আলাদা করে নতুন টবেও লাগানো যায়।
উপযোগী ব্যবহার: শোবার ঘর, লিভিং রুম, অফিস ডেস্ক, ঝুলন্ত ঝুড়ি বা জানালার পাশে সবুজ ও সতেজ পরিবেশ তৈরি করতে আদর্শ।
বেগনিয়া
একটি জনপ্রিয় শোভাবর্ধক গাছ, যা এর রঙিন পাতা ও আকর্ষণীয় ফুলের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। এটি টব, বারান্দা, জানালার পাশে বা ছাদবাগানে সমানভাবে মানানসই। বেগনিয়া শুধু ফুল দিয়েই নয়, এর পাতার নকশা ও রঙের বৈচিত্র্য দিয়ে যেকোনো স্থানকে করে তোলে আরও আকর্ষণীয়। ইনডোর ও আউটডোর—দুই পরিবেশেই এই গাছ টিকে থাকে এবং সামান্য যত্নেই দীর্ঘদিন সতেজ থাকে।
বিশেষত্ব:
রঙিন ফুল ও পাতার সৌন্দর্য
ইনডোর ও আউটডোর উভয় জায়গায় মানানসই
সহজ পরিচর্যা ও দ্রুত বৃদ্ধি
টব, ছাদবাগান ও জানালার পাশে দারুণ মানায়
ঘরের সৌন্দর্য ও সতেজতা বৃদ্ধি করে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: উজ্জ্বল কিন্তু পরোক্ষ আলো সবচেয়ে ভালো। সরাসরি তীব্র রোদে পাতার ক্ষতি হতে পারে।
পানি: মাটি সামান্য আর্দ্র রাখুন; অতিরিক্ত পানি এড়িয়ে চলুন।
মাটি: ঝুরঝুরে ও ড্রেনেজযুক্ত মাটি (বাগান মাটি : কম্পোস্ট : বালি = ২:১:১)।
সার: প্রতি ১–২ মাস অন্তর জৈব সার বা তরল সার ব্যবহার করলে গাছ সুস্থ ও ফুলবহুল থাকে।
পরিচর্যা: শুকনো বা নষ্ট পাতা ছেঁটে দিলে নতুন কুঁড়ি ও ফুল দ্রুত আসে।
উপযোগী ব্যবহার: ঘরের শোভা বৃদ্ধি, টেবিল ডেকোরেশন, বারান্দা ও জানালার পাশে সবুজ সতেজতা যোগ করতে অনন্য।
বেগনিয়া
একটি জনপ্রিয় শোভাবর্ধক গাছ, যা এর রঙিন পাতা ও আকর্ষণীয় ফুলের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। এটি টব, বারান্দা, জানালার পাশে বা ছাদবাগানে সমানভাবে মানানসই। বেগনিয়া শুধু ফুল দিয়েই নয়, এর পাতার নকশা ও রঙের বৈচিত্র্য দিয়ে যেকোনো স্থানকে করে তোলে আরও আকর্ষণীয়। ইনডোর ও আউটডোর—দুই পরিবেশেই এই গাছ টিকে থাকে এবং সামান্য যত্নেই দীর্ঘদিন সতেজ থাকে।
বিশেষত্ব:
রঙিন ফুল ও পাতার সৌন্দর্য
ইনডোর ও আউটডোর উভয় জায়গায় মানানসই
সহজ পরিচর্যা ও দ্রুত বৃদ্ধি
টব, ছাদবাগান ও জানালার পাশে দারুণ মানায়
ঘরের সৌন্দর্য ও সতেজতা বৃদ্ধি করে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: উজ্জ্বল কিন্তু পরোক্ষ আলো সবচেয়ে ভালো। সরাসরি তীব্র রোদে পাতার ক্ষতি হতে পারে।
পানি: মাটি সামান্য আর্দ্র রাখুন; অতিরিক্ত পানি এড়িয়ে চলুন।
মাটি: ঝুরঝুরে ও ড্রেনেজযুক্ত মাটি (বাগান মাটি : কম্পোস্ট : বালি = ২:১:১)।
সার: প্রতি ১–২ মাস অন্তর জৈব সার বা তরল সার ব্যবহার করলে গাছ সুস্থ ও ফুলবহুল থাকে।
পরিচর্যা: শুকনো বা নষ্ট পাতা ছেঁটে দিলে নতুন কুঁড়ি ও ফুল দ্রুত আসে।
উপযোগী ব্যবহার: ঘরের শোভা বৃদ্ধি, টেবিল ডেকোরেশন, বারান্দা ও জানালার পাশে সবুজ সতেজতা যোগ করতে অনন্য।
চাইনিজ ফ্যান পাম
একটি জনপ্রিয় শোভাবর্ধক পাম গাছ, যার বড় সবুজ পাতাগুলো পাখার মতো আকৃতির। এই গাছ যেকোনো বাগান, বারান্দা কিংবা ইনডোর ডেকোরেশনে এনে দেয় এক অনন্য আভিজাত্য। ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং দীর্ঘ সময় বাঁচে, তাই এটি ঘর ও অফিসের জন্য টেকসই শোভাবর্ধক উদ্ভিদ হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
বিশেষত্ব:
পাখার মতো বড় সবুজ পাতা
ইনডোর ও আউটডোর দু’জায়গায় মানানসই
ধীরে ধীরে বড় হয় এবং দীর্ঘদিন টিকে থাকে
আধুনিক ডেকোরেশনের জন্য আদর্শ
কম যত্নেই সহজে বেঁচে থাকে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: উজ্জ্বল পরোক্ষ আলোতে ভালো জন্মে, তবে হালকা রোদও সহ্য করতে পারে।
পানি: মাটি শুকালে পানি দিন; অতিরিক্ত পানি থেকে বিরত থাকুন।
মাটি: ঝুরঝুরে ও ড্রেনেজযুক্ত মাটি ব্যবহার করুন।
সার: ২–৩ মাস পর পর জৈব সার বা পাম-উপযোগী সার দিন।
পরিচর্যা: শুকনো বা পুরনো পাতা কেটে ফেললে গাছ সতেজ থাকে।
উপযোগী ব্যবহার: ড্রইংরুম, লবি, অফিস কর্নার, বারান্দা ও বাগানের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে চমৎকার।
প্রিন্সেস ফ্লাওয়ার
একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় শোভাবর্ধক গাছ, যার বড় আকারের বেগুনি রঙের ফুল রাজকীয় সৌন্দর্য এনে দেয়। ফুলের উজ্জ্বল বেগুনি আভা যেকোনো বাগান বা বারান্দাকে করে তোলে রঙিন ও অনন্য। গ্রীষ্ম ও বর্ষা মৌসুমে এই গাছে সবচেয়ে বেশি ফুল ফোটে। টব, ছাদবাগান কিংবা খোলা মাটিতে সহজেই বেড়ে ওঠে এবং কম যত্নেও দীর্ঘদিন টিকে থাকে।
বিশেষত্ব:
বড় ও উজ্জ্বল বেগুনি ফুল
দীর্ঘ সময় ধরে ফুল ফোটে
টব, বারান্দা ও বাগানের জন্য উপযোগী
দ্রুত বৃদ্ধি ও সহজ পরিচর্যা
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: প্রতিদিন ৫–৬ ঘণ্টা সূর্যের আলো প্রয়োজন।
পানি: মাটির ওপরের স্তর শুকালে পানি দিন; জলাবদ্ধতা এড়িয়ে চলুন।
মাটি: ঝুরঝুরে, উর্বর ও ড্রেনেজযুক্ত মাটি (বাগান মাটি : কম্পোস্ট : বালি = ২:১:১)।
সার: প্রতি মাসে একবার জৈব সার বা তরল সার ব্যবহার করলে বেশি ফুল ফোটে।
ছাঁটাই: শীতকালে হালকা ছাঁটাই করলে গাছ ঘন হয় ও ফুলের সংখ্যা বাড়ে।
উপযোগী ব্যবহার: বাগান, বারান্দা, ছাদবাগান ও প্রবেশপথে শোভা বৃদ্ধির জন্য অনন্য।
এরিকা পাম
একটি জনপ্রিয় ইনডোর ও আউটডোর শোভাবর্ধক গাছ, যার কোমল সবুজ পাতা ঘর কিংবা অফিসে এনে দেয় সতেজতা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। এটি প্রাকৃতিক এয়ার পিউরিফায়ার হিসেবে কাজ করে, বাতাস থেকে ক্ষতিকর পদার্থ শোষণ করে এবং অক্সিজেন ছাড়ে। কম আলোতেও টিকে থাকার ক্ষমতা ও সহজ পরিচর্যার কারণে এটি ব্যস্ত মানুষদের কাছেও খুব জনপ্রিয়।
বিশেষত্ব
বাতাস পরিশোধনকারী ইনডোর প্লান্ট
ঘর, অফিস বা লবির সৌন্দর্য বাড়াতে উপযোগী
কম আলো ও কম যত্নেও সহজে বৃদ্ধি পায়
পাতা ঘন ও সজীব সবুজ
দীর্ঘদিন টেকসই ও স্বাস্থ্যসম্মত
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: উজ্জ্বল কিন্তু পরোক্ষ আলো সবচেয়ে উপযুক্ত।
পানি: মাটি সামান্য শুকালে পানি দিন; অতিরিক্ত পানি এড়িয়ে চলুন।
মাটি: ঝুরঝুরে ও ড্রেনেজযুক্ত মাটি।
সার: প্রতি ১–২ মাস পর হালকা জৈব সার বা তরল সার ব্যবহার করুন।
পরিচর্যা: পাতায় ধুলো জমলে ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে দিন, এতে গাছ সতেজ থাকবে।
উপযোগী ব্যবহার: ঘরের কোণ, শোবার ঘর, অফিস ডেস্ক, রিসেপশন বা লবি—সব জায়গায় সতেজতা ও প্রাকৃতিক পরিবেশ আনতে আদর্শ।
টিকোমা ফুল
টিকোমা একটি চিরসবুজ শোভাবর্ধক ফুলের গাছ, যা ঘণ্টার মতো আকৃতির ফুলে ভরে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে ফুল ফোটার ক্ষমতার কারণে এই গাছ বাগান ও বারান্দার সৌন্দর্য দ্বিগুণ করে তোলে। গরম ও রোদযুক্ত আবহাওয়ায় এটি সবচেয়ে ভালো জন্মায় এবং কম যত্নেই দ্রুত বৃদ্ধি পায়। মৌমাছি ও প্রজাপতি আকৃষ্ট করায় পরিবেশে আরও প্রাণবন্ততা যোগ করে।
বিশেষত্ব:
দীর্ঘ সময় ফুল ফোটে
দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া সহজ যত্নের গাছ
টব, ছাদবাগান ও খোলা মাটির জন্য উপযোগী
মৌমাছি ও প্রজাপতি আকৃষ্ট করে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: প্রতিদিন ৫–৬ ঘণ্টা সরাসরি সূর্যালোক প্রয়োজন।
পানি: নিয়মিত পানি দিন, তবে জলাবদ্ধতা এড়িয়ে চলুন।
মাটি: উর্বর, ঝুরঝুরে ও ড্রেনেজযুক্ত মাটি।
সার: মাসে একবার জৈব সার বা তরল সার ব্যবহার করলে বেশি ফুল ফোটে।
ছাঁটাই: ফুল ফোটা শেষ হলে হালকা ছাঁটাই করলে গাছ ঘন হয় এবং আরও ফুল দেয়।
গোলাপি কাঠ গোলাপ
বর্ণনা:
গোলাপি কাঠ গোলাপ একটি সুন্দর ও শক্তপোক্ত শোভাবর্ধক গাছ, যা তার রঙিন গোলাপি ফুল এবং সবুজ পাতা দিয়ে যেকোনো বাগান বা বারান্দাকে করে তোলে প্রাণবন্ত। ফুলের সৌন্দর্য এবং কাঠের মজবুত বৈশিষ্ট্য একসাথে এই গাছকে বাগানপ্রেমীদের কাছে বিশেষভাবে জনপ্রিয় করে তুলেছে। এটি সহজে বৃদ্ধি পায়, তুলনামূলকভাবে কম যত্নে বাঁচে এবং টব বা মাটিতে লাগানোর জন্য সমানভাবে উপযুক্ত।
বিশেষত্ব:
ঝলমলে গোলাপি ফুল
শক্তপোক্ত কাঠ ও চিরসবুজ পাতা
টব, ছাদবাগান বা খোলা মাটিতে লাগানো যায়
সহজ পরিচর্যা ও দ্রুত বৃদ্ধি
বাগান ও বারান্দার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: প্রচুর সূর্যালোক প্রয়োজন।
পানি: মাটি সামান্য শুকালে পানি দিন; জলাবদ্ধতা এড়িয়ে চলুন।
মাটি: উর্বর, ঝুরঝুরে মাটি।
সার: প্রতি ২–৩ মাসে হালকা জৈব সার বা কম্পোস্ট প্রয়োগ করলে ফুলের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
ছাঁটাই: ফুল ফোটা শেষ হলে হালকা ছাঁটাই দিলে গাছ ঘন এবং আরও বেশি ফুল দেয়।
উপযোগী ব্যবহার: বাগান, বারান্দা, প্রবেশপথ বা ছাদবাগানের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য অনন্য।
কলাবতী ফুল
বিশেষত্ব:
উজ্জ্বল সোনালি ঝরঝরে ফুল
সারা গ্রীষ্মকাল বাগানকে রঙিন করে
দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া চিরসবুজ গাছ
পরিবেশকে শীতল ও মনোরম করে
প্রজাপতি ও মৌমাছি আকৃষ্ট করে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: পূর্ণ সূর্যালোক প্রয়োজন।
পানি: নিয়মিত পানি দিন, তবে জলাবদ্ধতা এড়িয়ে চলুন।
মাটি: উর্বর, ঝুরঝুরে মাটি ব্যবহার করুন।
সার: বছরে ২–৩ বার জৈব বা কম্পোস্ট সার প্রয়োগ করুন।
ছাঁটাই: ফুল ফোটা শেষ হলে হালকা ছাঁটাই দিলে গাছ ঘন ও বেশি ফুল দেয়।
উপযোগী ব্যবহার: বাড়ি বা বাগানের প্রবেশপথ, রাস্তার পাশে, ছাদ ও বাগানের শোভা বৃদ্ধিতে অনন্য।
অ্যালামন্ডা
বর্ণনা:
লাল অ্যালামন্ডা একটি চিরসবুজ আরোহী শোভাবর্ধক গাছ, যার গাঢ় লাল মখমলের মতো ফুল চোখে পড়ার মতো আকর্ষণীয়। এই লতানো গাছ যেকোনো বারান্দা, গেট, দেয়াল বা ট্রেলিস ঢেকে দিতে পারে, ফলে আপনার বাগান হয়ে উঠবে রঙিন ও প্রাণবন্ত। এটি গরম ও রোদযুক্ত আবহাওয়ায় সবচেয়ে ভালো জন্মে এবং দীর্ঘসময় ধরে ফুল ফোটাতে সক্ষম।
বিশেষত্ব:
উজ্জ্বল আকর্ষণীয় ফুল
আরোহী গাছ—গেট, দেয়াল ও ট্রেলিস ঢেকে রাখে
দীর্ঘ সময় ধরে ফুল ফোটে
দ্রুত বৃদ্ধি ও কম যত্নের প্রয়োজন
শোভাবর্ধনের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: প্রতিদিন কমপক্ষে ৬ ঘণ্টা সরাসরি সূর্যালোক প্রয়োজন।
পানি: মাটি শুকালে পানি দিন; জলাবদ্ধতা এড়িয়ে চলুন।
মাটি: ঝুরঝুরে ও ড্রেনেজযুক্ত মাটি (বাগান মাটি : বালি : কম্পোস্ট = ২:১:১)।
সার: মাসে একবার জৈব সার বা তরল সার প্রয়োগ করলে ফুল আরও বেশি ফোটে।
সমর্থন: লতা ওঠার জন্য জালি, ট্রেলিস বা খুঁটি ব্যবহার করতে হবে।
উপযোগী ব্যবহার: বাড়ির প্রবেশপথ, গেট, দেয়াল, বারান্দা বা বাগান ঘিরে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য অনন্য।
লাল অ্যালামন্ডা
বর্ণনা:
লাল অ্যালামন্ডা একটি চিরসবুজ আরোহী শোভাবর্ধক গাছ, যার গাঢ় লাল মখমলের মতো ফুল চোখে পড়ার মতো আকর্ষণীয়। এই লতানো গাছ যেকোনো বারান্দা, গেট, দেয়াল বা ট্রেলিস ঢেকে দিতে পারে, ফলে আপনার বাগান হয়ে উঠবে রঙিন ও প্রাণবন্ত। এটি গরম ও রোদযুক্ত আবহাওয়ায় সবচেয়ে ভালো জন্মে এবং দীর্ঘসময় ধরে ফুল ফোটাতে সক্ষম।
বিশেষত্ব:
উজ্জ্বল লাল আকর্ষণীয় ফুল
আরোহী গাছ—গেট, দেয়াল ও ট্রেলিস ঢেকে রাখে
দীর্ঘ সময় ধরে ফুল ফোটে
দ্রুত বৃদ্ধি ও কম যত্নের প্রয়োজন
শোভাবর্ধনের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: প্রতিদিন কমপক্ষে ৬ ঘণ্টা সরাসরি সূর্যালোক প্রয়োজন।
পানি: মাটি শুকালে পানি দিন; জলাবদ্ধতা এড়িয়ে চলুন।
মাটি: ঝুরঝুরে ও ড্রেনেজযুক্ত মাটি (বাগান মাটি : বালি : কম্পোস্ট = ২:১:১)।
সার: মাসে একবার জৈব সার বা তরল সার প্রয়োগ করলে ফুল আরও বেশি ফোটে।
সমর্থন: লতা ওঠার জন্য জালি, ট্রেলিস বা খুঁটি ব্যবহার করতে হবে।
উপযোগী ব্যবহার: বাড়ির প্রবেশপথ, গেট, দেয়াল, বারান্দা বা বাগান ঘিরে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য অনন্য।
জবা ফুল
(Hibiscus Plant)
বর্ণনা:
জবা ফুল একটি চিরসবুজ শোভাবর্ধক ও ঔষধি গাছ, যা সারা বছরই ফুটে আপনার বাগানকে করে তোলে রঙিন ও প্রাণবন্ত। এটি শুধু সৌন্দর্য বাড়ায় না, আধ্যাত্মিক ও ভেষজ গুণের জন্যও বিশেষভাবে পরিচিত। জবা গাছ টব, ছাদবাগান ও বাড়ির আঙিনার জন্য আদর্শ এবং কম যত্নেই দ্রুত বেড়ে ওঠে।
বিশেষত্ব:
✔️ সারা বছর ফুল ফোটে
✔️ ঘর ও বাগানের সৌন্দর্য বাড়ায়
✔️ ভেষজ ও আধ্যাত্মিক গুণে সমৃদ্ধ
✔️ সহজে পরিচর্যা করা যায়
জবা ফুল
(Hibiscus Plant)
বর্ণনা:
জবা ফুল একটি চিরসবুজ শোভাবর্ধক ও ঔষধি গাছ, যা সারা বছরই ফুটে আপনার বাগানকে করে তোলে রঙিন ও প্রাণবন্ত। এটি শুধু সৌন্দর্য বাড়ায় না, আধ্যাত্মিক ও ভেষজ গুণের জন্যও বিশেষভাবে পরিচিত। জবা গাছ টব, ছাদবাগান ও বাড়ির আঙিনার জন্য আদর্শ এবং কম যত্নেই দ্রুত বেড়ে ওঠে।
বিশেষত্ব:
✔️ সারা বছর ফুল ফোটে
✔️ ঘর ও বাগানের সৌন্দর্য বাড়ায়
✔️ ভেষজ ও আধ্যাত্মিক গুণে সমৃদ্ধ
✔️ সহজে পরিচর্যা করা যায়
জবা ফুল
(Hibiscus Plant)
বর্ণনা:
জবা ফুল একটি চিরসবুজ শোভাবর্ধক ও ঔষধি গাছ, যা সারা বছরই ফুটে আপনার বাগানকে করে তোলে রঙিন ও প্রাণবন্ত। এটি শুধু সৌন্দর্য বাড়ায় না, আধ্যাত্মিক ও ভেষজ গুণের জন্যও বিশেষভাবে পরিচিত। জবা গাছ টব, ছাদবাগান ও বাড়ির আঙিনার জন্য আদর্শ এবং কম যত্নেই দ্রুত বেড়ে ওঠে।
বিশেষত্ব:
✔️ সারা বছর ফুল ফোটে
✔️ ঘর ও বাগানের সৌন্দর্য বাড়ায়
✔️ ভেষজ ও আধ্যাত্মিক গুণে সমৃদ্ধ
✔️ সহজে পরিচর্যা করা যায়

























