We deliver to you every day from 7:00 to 23:00
Best Discounts
The best discounts this week
Every week you can find the best discounts here.
2,499.00৳
বাগানবিলাস (ডবল কালার)
999.00৳
সুইট ক্লক ভাইন (বড় বালতি)
450.00৳
এডেনিয়াম
899.00৳
এরোমেটিক জুই বড় বালতি
1,200.00৳
পাউডার পাফ
999.00৳
টিকোমা
সাকুলেন্ট হলো ছোট, শক্তপোক্ত এবং দৃষ্টিনন্দন গাছ, যা তার মজবুত, রসালো পাতা বা গাছের অংশে পানি সংরক্ষণের ক্ষমতার জন্য পরিচিত। এটি ইনডোর ও আউটডোর উভয় পরিবেশে রাখার উপযোগী, টব, ডেস্ক বা বারান্দায় সহজেই সাজানো যায়। কম যত্নে টিকে থাকে এবং দ্রুত বৃদ্ধি পায়, তাই ব্যস্ত মানুষদের জন্য এটি আদর্শ ইনডোর প্ল্যান্ট।
বিশেষত্ব:
রসালো ও শক্তপোক্ত পাতা
টব, ডেস্ক বা বারান্দায় মানানসই
কম যত্নে টিকে থাকে
কম পানি প্রয়োজন
ঘরের সৌন্দর্য ও সতেজতা বৃদ্ধি করে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: উজ্জ্বল সূর্যালোক সবচেয়ে ভালো; তবে সরাসরি অতিরিক্ত রোদ থেকে রক্ষা করুন।
পানি: মাটি সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেলে পানি দিন; অতিরিক্ত পানি এড়িয়ে চলুন।
মাটি: ঝুরঝুরে, ড্রেনেজযুক্ত ও শুষ্ক মাটি ব্যবহার করুন।
সার: বছরে ২–৩ বার হালকা জৈব সার প্রয়োগ করলে গাছ সুস্থ থাকে।
পরিচর্যা: শুকনো বা মৃত পাতা ছেঁটে দিলে গাছ আরও সুন্দর ও সুস্থ থাকে।
উপযোগী ব্যবহার: লিভিং রুম, অফিস, বারান্দা বা টেবিল টবে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সতেজতা যোগ করতে আদর্শ।
সিঙ্গোনিয়াম
একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ইনডোর শোভাময় গাছ, যা তার তীরাকৃতির বা ভেনাসিয়ন পাতা এবং নরম সবুজ থেকে গাঢ় সবুজ রঙের জন্য পরিচিত। ঝুলন্ত টব, শেলফ বা ডেস্কে রাখলে ঘর বা অফিসের পরিবেশকে করে তোলে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়। এটি কম আলোতে টিকে থাকে, দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং সহজ পরিচর্যার কারণে ইনডোর প্ল্যান্টপ্রেমীদের কাছে খুবই জনপ্রিয়।
বিশেষত্ব:
তীরাকৃতির দৃষ্টিনন্দন পাতা
ঝুলন্ত টব, শেলফ বা ডেস্কে মানানসই
কম আলোতেও টিকে থাকে
সহজ পরিচর্যা ও দ্রুত বৃদ্ধি
ঘরের সৌন্দর্য ও সতেজতা বৃদ্ধি করে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: উজ্জ্বল পরোক্ষ আলো সবচেয়ে ভালো; সরাসরি রোদ পাতার ক্ষতি করতে পারে।
পানি: মাটি সামান্য শুকালে পানি দিন; অতিরিক্ত পানি এড়িয়ে চলুন।
মাটি: ঝুরঝুরে, ড্রেনেজযুক্ত এবং আর্দ্রতা ধরে রাখার মতো মাটি ব্যবহার করুন।
সার: প্রতি ২–৩ মাস অন্তর হালকা জৈব বা তরল সার ব্যবহার করলে গাছ সতেজ থাকে।
পরিচর্যা: পুরনো বা হলদে পাতা ছেঁটে দিলে নতুন পাতা ও শাখা দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
উপযোগী ব্যবহার: লিভিং রুম, বারান্দা, ডেস্ক বা ঝুলন্ত টবগুলোতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সবুজ পরিবেশ যোগ করতে আদর্শ।
সিজিয়াম একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় শোভাময় গাছ, যা তার তীরাকৃতির (Arrowhead-shaped) সবুজ বা হালকা রঙের পাতা দিয়ে পরিচিত। এটি ঝুলন্ত টব, শেলফ বা ডেস্কে রাখলে ঘর বা অফিসের পরিবেশকে করে তোলে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়। মাঝারি যত্নে দীর্ঘদিন টিকে থাকে এবং সহজে বৃদ্ধি পায়, যা এটিকে ব্যস্ত মানুষদের জন্য আদর্শ প্ল্যান্টে পরিণত করেছে।
বিশেষত্ব:
তীরাকৃতির দৃষ্টিনন্দন পাতা
সহজ পরিচর্যা ও দ্রুত বৃদ্ধি
ঘরের সৌন্দর্য ও সতেজতা বৃদ্ধি করে
এরালিয়া (Aralia / Polyscias)
বর্ণনা:
এরালিয়া একটি দৃষ্টিনন্দন ইনডোর ও আউটডোর শোভাময় গাছ, যা তার বড়, গাঢ় সবুজ এবং লম্বা শাখাযুক্ত পাতা দিয়ে পরিচিত। এটি ঝুলন্ত টব, ডেস্ক বা বারান্দায় সহজেই রাখা যায় এবং ঘর বা অফিসকে করে তোলে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়। মাঝারি যত্নে দীর্ঘদিন টিকে থাকে এবং ঘরের পরিবেশে প্রাকৃতিক সতেজতা যোগ করে।
বিশেষত্ব:
বড়, গাঢ় সবুজ পাতা
ইনডোর টব, ঝুলন্ত টব বা আউটডোর বাগানে মানানসই
কম যত্নে টিকে থাকে এবং দীর্ঘস্থায়ী
ঘরের সৌন্দর্য ও সতেজতা বৃদ্ধি করে
মাঝারি আলোতেও সহজে মানিয়ে যায়
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: উজ্জ্বল পরোক্ষ আলো সবচেয়ে ভালো; সরাসরি সূর্যালোক পাতা পোড়াতে পারে।
পানি: মাটি সামান্য আর্দ্র রাখুন; অতিরিক্ত পানি এড়িয়ে চলুন।
মাটি: ঝুরঝুরে, ড্রেনেজযুক্ত ও উর্বর মাটি ব্যবহার করুন।
সার: প্রতি ২–৩ মাসে হালকা জৈব বা তরল সার ব্যবহার করলে গাছ সতেজ থাকে।
পরিচর্যা: পুরনো বা হলদে পাতা ছেঁটে দিলে নতুন শাখা ও পাতা দ্রুত গজায়।
উপযোগী ব্যবহার: লিভিং রুম, বারান্দা, অফিস ডেস্ক বা ঝুলন্ত টবগুলোতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সবুজ পরিবেশ যোগ করতে আদর্শ।
অল্টারনেন্থেরা একটি দৃষ্টিনন্দন বাগান ও টবের গাছ, যা তার উজ্জ্বল রঙিন পাতা (লাল, গোলাপী, বেগুনি বা সবুজের মিশ্রণ) দিয়ে পরিচিত। ছোট আকারের এই গাছ বাগান, বারান্দা বা আউটডোর ল্যান্ডস্কেপে চমৎকার শোভা যোগ করে। এটি দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং কম যত্নে দীর্ঘদিন টিকে থাকে। পাতার রঙিন বৈচিত্র্য বাগানের সৌন্দর্য ও প্রাণবন্ত পরিবেশ বৃদ্ধি করে।
বিশেষত্ব:
উজ্জ্বল রঙিন পাতা (লাল, গোলাপী, বেগুনি, সবুজ)
ছোট আকারে টব বা বাগানে মানানসই
দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং দীর্ঘস্থায়ী
কম যত্নে টিকে থাকে
বাগান ও বারান্দার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: উজ্জ্বল সূর্যালোক সবচেয়ে ভালো, তবে হালকা ছায়াতেও টিকে থাকে।
পানি: নিয়মিত পানি দিন; মাটি সামান্য আর্দ্র রাখুন, তবে জলাবদ্ধতা এড়িয়ে চলুন।
মাটি: ঝুরঝুরে, ড্রেনেজযুক্ত ও উর্বর মাটি ব্যবহার করুন।
সার: প্রতি ২–৩ মাস অন্তর হালকা জৈব বা তরল সার ব্যবহার করলে পাতা উজ্জ্বল থাকে।
পরিচর্যা: পুরনো বা হলদে পাতা ছেঁটে দিলে নতুন পাতা ও শাখা দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
উপযোগী ব্যবহার: বাগান, বারান্দা, লনের শোভা বৃদ্ধিতে বা টব প্ল্যান্ট হিসেবে উপযুক্ত।
অ্যাগেভ
একটি শক্তপোক্ত ও দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্যবর্ধক গাছ, যা তার মজবুত, তীক্ষ্ণ ধনুকাকৃতির পাতা দিয়ে পরিচিত। এটি শুষ্ক আবহাওয়ায় সহজে বৃদ্ধি পায় এবং কম যত্নেই দীর্ঘদিন টিকে থাকে। টব বা আউটডোর বাগানে রাখা যায় এবং বাগান বা বারান্দাকে করে তোলে আরও আকর্ষণীয়। অ্যাগেভ গাছের কমপ্যাক্ট আকৃতি এবং ধনুকাকৃতির পাতাগুলো এটিকে এক অনন্য ইনডোর ও আউটডোর শোভাময় গাছ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
বিশেষত্ব:
ধনুকাকৃতির শক্তপোক্ত পাতা
টব, বারান্দা বা আউটডোর বাগানে মানানসই
কম যত্নে টিকে থাকে
শুষ্ক পরিবেশে দ্রুত বৃদ্ধি পায়
বাগান ও বারান্দার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: প্রচুর সূর্যালোক প্রয়োজন।
পানি: মাটি সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেলে পানি দিন; অতিরিক্ত পানি থেকে বিরত থাকুন।
মাটি: ঝুরঝুরে, ড্রেনেজযুক্ত ও শুষ্ক পরিবেশে মানানসই মাটি ব্যবহার করুন।
সার: বছরে ২–৩ বার হালকা জৈব সার প্রয়োগ করলে গাছ সুস্থ থাকে।
পরিচর্যা: শুকনো বা মৃত পাতা কেটে দিলে গাছ আরও সুন্দর ও সুস্থ থাকে।
উপযোগী ব্যবহার: বারান্দা, বাগান, লনের শোভা বৃদ্ধিতে বা ইনডোর টব গাছ হিসেবে উপযুক্ত।
অ্যাগেভ
একটি শক্তপোক্ত ও দৃষ্টিনন্দন সৌন্দর্যবর্ধক গাছ, যা তার মজবুত, তীক্ষ্ণ ধনুকাকৃতির পাতা দিয়ে পরিচিত। এটি শুষ্ক আবহাওয়ায় সহজে বৃদ্ধি পায় এবং কম যত্নেই দীর্ঘদিন টিকে থাকে। টব বা আউটডোর বাগানে রাখা যায় এবং বাগান বা বারান্দাকে করে তোলে আরও আকর্ষণীয়। অ্যাগেভ গাছের কমপ্যাক্ট আকৃতি এবং ধনুকাকৃতির পাতাগুলো এটিকে এক অনন্য ইনডোর ও আউটডোর শোভাময় গাছ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
বিশেষত্ব:
ধনুকাকৃতির শক্তপোক্ত পাতা
টব, বারান্দা বা আউটডোর বাগানে মানানসই
কম যত্নে টিকে থাকে
শুষ্ক পরিবেশে দ্রুত বৃদ্ধি পায়
বাগান ও বারান্দার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: প্রচুর সূর্যালোক প্রয়োজন।
পানি: মাটি সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেলে পানি দিন; অতিরিক্ত পানি থেকে বিরত থাকুন।
মাটি: ঝুরঝুরে, ড্রেনেজযুক্ত ও শুষ্ক পরিবেশে মানানসই মাটি ব্যবহার করুন।
সার: বছরে ২–৩ বার হালকা জৈব সার প্রয়োগ করলে গাছ সুস্থ থাকে।
পরিচর্যা: শুকনো বা মৃত পাতা কেটে দিলে গাছ আরও সুন্দর ও সুস্থ থাকে।
উপযোগী ব্যবহার: বারান্দা, বাগান, লনের শোভা বৃদ্ধিতে বা ইনডোর টব গাছ হিসেবে উপযুক্ত।
ক্যালাথিয়া
একটি দৃষ্টিনন্দন ইনডোর শোভাময় গাছ, যা তার অনন্য প্যাটার্নযুক্ত সবুজ ও রঙিন পাতা দিয়ে পরিচিত। পাতাগুলো রাতে একে “প্রেয়ার প্ল্যান্ট” হিসেবে পরিচিত করে, কারণ সন্ধ্যায় তারা ভাঁজ হয়ে প্রার্থনার মত দৃষ্টিতে আসে। ঝুলন্ত টব, ডেস্ক বা বারান্দায় রাখলে গাছটি ঘর বা অফিসকে করে তোলে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়। এটি কম আলোতেও টিকে থাকে এবং মাঝারি যত্নে দীর্ঘদিন সতেজ থাকে।
বিশেষত্ব:
অনন্য প্যাটার্নযুক্ত সবুজ ও রঙিন পাতা
রাতে পাতার ভাঁজ হওয়ার কারণে “Prayer Plant” নামকরণ
ইনডোরে ঝুলন্ত টব বা ডেস্ক টবে মানানসই
কম আলো ও মাঝারি যত্নে দীর্ঘস্থায়ী
ঘরের সৌন্দর্য ও সতেজতা বৃদ্ধি করে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: উজ্জ্বল পরোক্ষ আলো সবচেয়ে ভালো; সরাসরি সূর্যালোক পাতা পোড়াতে পারে।
পানি: মাটি সামান্য আর্দ্র রাখুন; অতিরিক্ত পানি এড়িয়ে চলুন।
মাটি: ঝুরঝুরে, ড্রেনেজযুক্ত মাটি ব্যবহার করুন।
সার: প্রতি ২–৩ মাসে হালকা জৈব বা তরল সার ব্যবহার করলে গাছ সতেজ থাকে।
পরিচর্যা: পুরনো বা হলদে পাতা ছেঁটে দিলে নতুন পাতা ও কুঁড়ি দ্রুত গজায়।
উপযোগী ব্যবহার: লিভিং রুম, বারান্দা, অফিস ডেস্ক বা ঝুলন্ত টবগুলোতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সবুজ পরিবেশ যোগ করতে আদর্শ।
রাবার প্লান্ট
একটি শক্তপোক্ত ও দৃষ্টিনন্দন ইনডোর ও আউটডোর শোভাময় গাছ। এর বড়, চকচকে সবুজ পাতা ঘর বা অফিসের পরিবেশকে করে তোলে প্রাণবন্ত এবং সতেজ। এটি মাঝারি যত্নে দীর্ঘদিন টিকে থাকে এবং ধীরে ধীরে বড় হয়। ঝুলন্ত টব, ডেস্ক টব বা বারান্দায় রাখলে দারুণ শোভা পায়। এছাড়াও রাবার প্লান্টের বাতাস পরিশোধনের ক্ষমতা থাকায় এটি ঘরের জন্য স্বাস্থ্যকর।
বিশেষত্ব:
বড়, চকচকে সবুজ পাতা
ইনডোরে টবে বা আউটডোরে মানানসই
ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং দীর্ঘস্থায়ী
কম যত্নে টিকে থাকে
ঘরের পরিবেশে প্রাকৃতিক সতেজতা যোগ করে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: উজ্জ্বল কিন্তু পরোক্ষ আলো সবচেয়ে ভালো; সরাসরি রোদ পাতা পোড়াতে পারে।
পানি: মাটি সামান্য শুকালে পানি দিন; অতিরিক্ত পানি এড়িয়ে চলুন।
মাটি: ঝুরঝুরে, ড্রেনেজযুক্ত ও উর্বর মাটি ব্যবহার করুন।
সার: প্রতি ২–৩ মাসে হালকা জৈব বা তরল সার ব্যবহার করলে গাছ সুস্থ থাকে।
পরিচর্যা: পুরনো বা হলদে পাতা ছেঁটে দিলে নতুন পাতা দ্রুত গজায়।
উপযোগী ব্যবহার: লিভিং রুম, অফিস, বারান্দা বা শেলফে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সতেজতা যোগ করতে আদর্শ।
ইঞ্চপ্লান্ট একটি দৃষ্টিনন্দন ইনডোর শোভাময় গাছ, যা তার লম্বা, ঝুলন্ত ডাল এবং সবুজ-ভূমি সহ বেগুনি সাদা দাগযুক্ত পাতার জন্য পরিচিত। ঝুলন্ত টব বা শেলফে রাখলে গাছটি ঘর বা অফিসের পরিবেশকে করে তোলে প্রাণবন্ত এবং আকর্ষণীয়। এটি দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং কম যত্নেই দীর্ঘদিন টিকে থাকে, যা এটিকে ইনডোর গাছপ্রেমীদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় করে।
বিশেষত্ব:
ঝুলন্ত ডাল ও সবুজ-বেগুনি দাগযুক্ত পাতা
ঝুলন্ত টব, শেলফ বা ডেস্কে মানানসই
দ্রুত বৃদ্ধি ও সহজ পরিচর্যা
কম আলোতেও টিকে থাকে
ঘরের সৌন্দর্য ও সতেজতা বৃদ্ধি করে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: উজ্জ্বল পরোক্ষ আলো সবচেয়ে ভালো; সরাসরি সূর্যালোক পাতা পোড়াতে পারে।
পানি: মাটি সামান্য শুকালে পানি দিন; অতিরিক্ত পানি এড়িয়ে চলুন।
মাটি: ঝুরঝুরে, ড্রেনেজযুক্ত মাটি ব্যবহার করুন।
সার: প্রতি ২–৩ মাসে হালকা জৈব বা তরল সার ব্যবহার করলে গাছ সুস্থ থাকে এবং পাতা উজ্জ্বল থাকে।
পরিচর্যা: পুরনো বা হলদে পাতা ছেঁটে দিলে নতুন শাখা ও পাতার বৃদ্ধি ভালো হয়।
উপযোগী ব্যবহার: ঝুলন্ত টব, শেলফ, ডেস্ক, বারান্দা বা লিভিং রুমে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সতেজতা যোগ করতে আদর্শ।
বার্ড নেস্ট ফার্ন
একটি জনপ্রিয় ইনডোর ও আউটডোর শোভাময় গাছ, যা তার বড়, গাঢ় সবুজ, চ্যাপ্টা ও ঝুলন্ত পাতা দিয়ে “পাখির বাসার মতো” আকৃতি তৈরি করে। এটি ঘর, বারান্দা বা অফিসে রাখলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং সতেজতা বৃদ্ধি করে। কম আলো ও মাঝারি যত্নে দীর্ঘদিন টিকে থাকে, যা এটিকে ইনডোর ফার্ন হিসেবে বিশেষভাবে জনপ্রিয় করে।
বিশেষত্ব:
বড় সবুজ চ্যাপ্টা পাতা, পাখির বাসার আকৃতি
ইনডোরে ঝুলন্ত টব বা টেবিল টবে মানানসই
কম আলোতেও টিকে থাকে
সহজ পরিচর্যা ও দীর্ঘস্থায়ী
ঘরের সৌন্দর্য ও সতেজতা বৃদ্ধি করে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: পরোক্ষ আলো সবচেয়ে ভালো; সরাসরি সূর্যপশুর রোদ পাতা পোড়াতে পারে।
পানি: মাটি সবসময় সামান্য আর্দ্র রাখুন; অতিরিক্ত পানি এড়িয়ে চলুন।
মাটি: ঝুরঝুরে, আর্দ্রতা ধরে রাখার মতো ড্রেনেজযুক্ত মাটি ব্যবহার করুন।
সার: প্রতি ২–৩ মাসে হালকা জৈব বা তরল সার ব্যবহার করলে গাছ সুস্থ থাকে।
পরিচর্যা: পুরনো বা হলদে পাতা ছেঁটে দিলে নতুন পাতা ও নতুন কুঁড়ি দ্রুত গজায়।
উপযোগী ব্যবহার: লিভিং রুম, বারান্দা, অফিস ডেস্ক, ঝুলন্ত টব বা শেলফে প্রাকৃতিক সবুজ পরিবেশ তৈরি করতে আদর্শ।
অ্যাগলোনেমা হলো একটি জনপ্রিয় ইনডোর শোভাময় গাছ, যা তার গাঢ় সবুজ ও রঙিন পাতা দিয়ে ঘর বা অফিসের পরিবেশকে করে তোলে প্রাণবন্ত। এটি কম আলোতেও টিকে থাকে এবং মাঝারি যত্নেই দীর্ঘদিন সতেজ থাকে। ঝুলন্ত টব, ডেস্ক বা বারান্দায় রাখলে দারুণ শোভা পায়। অ্যাগলোনেমা ইনডোর প্ল্যান্ট হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয়, কারণ এটি সহজে বৃদ্ধি পায় এবং বাতাস পরিশোধনের ক্ষমতাও রাখে।
বিশেষত্ব:
দৃষ্টিনন্দন সবুজ ও রঙিন পাতা
কম আলোতেও টিকে থাকে
ঝুলন্ত টব, ডেস্ক বা বারান্দায় মানানসই
সহজ পরিচর্যা ও দীর্ঘস্থায়ী
ঘরের সৌন্দর্য ও সতেজতা বৃদ্ধি করে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: উজ্জ্বল কিন্তু পরোক্ষ আলো সবচেয়ে ভালো; সরাসরি রোদ পাতা পোড়াতে পারে।
পানি: মাটি সামান্য শুকালে পানি দিন; অতিরিক্ত পানি এড়িয়ে চলুন।
মাটি: ঝুরঝুরে ও ড্রেনেজযুক্ত মাটি ব্যবহার করুন।
সার: প্রতি ২–৩ মাসে হালকা জৈব বা তরল সার ব্যবহার করলে গাছ সুস্থ থাকে।
পরিচর্যা: পুরনো বা হলদে পাতা ছেঁটে দিলে নতুন কুঁড়ি ও পাতার বৃদ্ধি ভালো হয়।
উপযোগী ব্যবহার: লিভিং রুম, অফিস, বারান্দা বা শেলফে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সতেজতা যোগ করতে আদর্শ।
অ্যাগলোনেমা হলো একটি জনপ্রিয় ইনডোর শোভাময় গাছ, যা তার গাঢ় সবুজ ও রঙিন পাতা দিয়ে ঘর বা অফিসের পরিবেশকে করে তোলে প্রাণবন্ত। এটি কম আলোতেও টিকে থাকে এবং মাঝারি যত্নেই দীর্ঘদিন সতেজ থাকে। ঝুলন্ত টব, ডেস্ক বা বারান্দায় রাখলে দারুণ শোভা পায়। অ্যাগলোনেমা ইনডোর প্ল্যান্ট হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয়, কারণ এটি সহজে বৃদ্ধি পায় এবং বাতাস পরিশোধনের ক্ষমতাও রাখে।
বিশেষত্ব:
দৃষ্টিনন্দন সবুজ ও রঙিন পাতা
কম আলোতেও টিকে থাকে
ঝুলন্ত টব, ডেস্ক বা বারান্দায় মানানসই
সহজ পরিচর্যা ও দীর্ঘস্থায়ী
ঘরের সৌন্দর্য ও সতেজতা বৃদ্ধি করে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: উজ্জ্বল কিন্তু পরোক্ষ আলো সবচেয়ে ভালো; সরাসরি রোদ পাতা পোড়াতে পারে।
পানি: মাটি সামান্য শুকালে পানি দিন; অতিরিক্ত পানি এড়িয়ে চলুন।
মাটি: ঝুরঝুরে ও ড্রেনেজযুক্ত মাটি ব্যবহার করুন।
সার: প্রতি ২–৩ মাসে হালকা জৈব বা তরল সার ব্যবহার করলে গাছ সুস্থ থাকে।
পরিচর্যা: পুরনো বা হলদে পাতা ছেঁটে দিলে নতুন কুঁড়ি ও পাতার বৃদ্ধি ভালো হয়।
উপযোগী ব্যবহার: লিভিং রুম, অফিস, বারান্দা বা শেলফে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সতেজতা যোগ করতে আদর্শ।
স্ট্রোমন্থে ট্রাইওস্টার
একটি দৃষ্টিনন্দন ইনডোর শোভাময় গাছ, যা তার ত্রিবর্ণ (সবুজ, ক্রিম ও গোলাপি) পাতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। পাতার অনন্য রঙিন প্যাটার্ন ঘর বা অফিসের পরিবেশকে করে তোলে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়। এটি টব বা ঝুলন্ত টবে সহজেই রাখা যায়। কম আলোতে টিকে থাকা এবং মাঝারি যত্নে দীর্ঘদিন সতেজ থাকা এটিকে ইনডোর প্লান্ট হিসেবে খুবই জনপ্রিয় করে তোলে।
বিশেষত্ব:
ত্রিবর্ণ (সবুজ, ক্রিম ও গোলাপি) দৃষ্টিনন্দন পাতা
ইনডোরে ঝুলন্ত টব বা ডেস্ক টবে মানানসই
মাঝারি যত্নে দ্রুত বৃদ্ধি পায়
ঘরের সৌন্দর্য ও সতেজতা বৃদ্ধি করে
তুলনামূলক কম আলোতেও টিকে থাকে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: উজ্জ্বল পরোক্ষ আলো সবচেয়ে ভালো; সরাসরি রোদ পাতা পোড়াতে পারে।
পানি: মাটি সামান্য শুকালে পানি দিন; অতিরিক্ত পানি এড়িয়ে চলুন।
মাটি: ঝুরঝুরে, ড্রেনেজযুক্ত এবং আর্দ্রতা ধরে রাখতে সক্ষম মাটি ব্যবহার করুন।
সার: প্রতি ২–৩ মাস অন্তর হালকা জৈব বা তরল সার ব্যবহার করলে গাছ সতেজ ও সুস্থ থাকে।
পরিচর্যা: পুরনো বা হলদে পাতা ছেঁটে দিন; নিয়মিত পাতা মুছে দিলে গাছ আরও সুন্দর দেখায়।
উপযোগী ব্যবহার: লিভিং রুম, অফিস ডেস্ক, ঝুলন্ত টব বা শেলফে সাজানোর জন্য আদর্শ।
ব্রাসিল পোথোস
একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ইনডোর শোভাময় গাছ, যা তার সবুজ-হলুদ মিশ্র পাতার জন্য পরিচিত। পাতার সোনালি হাইলাইট এবং উজ্জ্বল সবুজ রঙ ঘর বা অফিসের পরিবেশকে করে তোলে প্রাণবন্ত। এটি ঝুলন্ত টব, ডেস্ক টব বা শেলফে রাখলে দারুণ শোভা পায়। কম আলো ও সহজ পরিচর্যার কারণে এটি ব্যস্ত মানুষদের জন্য একটি আদর্শ ইনডোর প্লান্ট।
বিশেষত্ব:
সবুজ ও হলুদ মিশ্রণযুক্ত দৃষ্টিনন্দন পাতা
কম আলোতেও টিকে থাকে
ঝুলন্ত টব, ডেস্ক বা শেলফে মানানসই
দ্রুত বৃদ্ধি ও সহজ পরিচর্যা
ঘরের সৌন্দর্য ও সতেজতা বৃদ্ধি করে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: উজ্জ্বল কিন্তু পরোক্ষ আলো সবচেয়ে ভালো; সরাসরি রোদ পাতার ক্ষতি করতে পারে।
পানি: মাটি সামান্য শুকালে পানি দিন; অতিরিক্ত পানি এড়িয়ে চলুন।
মাটি: ঝুরঝুরে ও ড্রেনেজযুক্ত মাটি ব্যবহার করুন।
সার: প্রতি ২–৩ মাস অন্তর হালকা জৈব বা তরল সার ব্যবহার করলে গাছ সুস্থ থাকে এবং পাতার রঙ উজ্জ্বল থাকে।
পরিচর্যা: পুরনো বা হলদে পাতা কেটে দিলে নতুন কুঁড়ি ও শাখা গজায়।
উপযোগী ব্যবহার: শেলফ, ডেস্ক, ঝুলন্ত ঝুড়ি, লিভিং রুম বা বারান্দায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সবুজ পরিবেশ যোগ করতে আদর্শ।
সিলভার সাটিন পোথোস
একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ইনডোর শোভাময় গাছ, যা তার চকচকে সবুজ পাতায় সিলভার দাগের জন্য পরিচিত। পাতার মসৃণ ও সাটিন-সদৃশ গঠন ঘর বা অফিসে এনে দেয় সতেজতা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। এটি ঝুলন্ত টব, শেলফ বা ডেস্কে রাখলে দারুণ শোভা পায়। কম আলোতে টিকে থাকার ক্ষমতা এবং সহজ পরিচর্যার কারণে ব্যস্ত মানুষদের জন্য এটি আদর্শ ইনডোর প্লান্ট।
বিশেষত্ব:
চকচকে সবুজ পাতা ও সিলভার দাগ
কম আলোতেও টিকে থাকে
ঝুলন্ত টব, ডেস্ক বা শেলফে মানানসই
সহজ পরিচর্যা ও দীর্ঘস্থায়ী
ঘরের সৌন্দর্য ও সতেজতা বৃদ্ধি করে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: উজ্জ্বল কিন্তু পরোক্ষ আলো সবচেয়ে উপযুক্ত; সরাসরি রোদ পাতা ক্ষতি করতে পারে।
পানি: মাটি সামান্য শুকালে পানি দিন; অতিরিক্ত পানি এড়িয়ে চলুন।
মাটি: ঝুরঝুরে ও ড্রেনেজযুক্ত মাটি ব্যবহার করুন।
সার: প্রতি ২–৩ মাস অন্তর হালকা জৈব বা তরল সার ব্যবহার করলে গাছ সুস্থ ও সতেজ থাকে।
পরিচর্যা: পুরনো বা হলদে পাতা কেটে দিলে নতুন কুঁড়ি ও নতুন শাখা গজায়।
উপযোগী ব্যবহার: শেলফ, ডেস্ক, ঝুলন্ত ঝুড়ি, লিভিং রুম বা বারান্দায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সবুজ পরিবেশ যোগ করতে আদর্শ।
নাগচাঁপা
টব, বাগান বা খোলা আঙিনায় সহজে মানায়
ফুলের সৌন্দর্য ও সুবাস পরিবেশকে প্রাণবন্ত করে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: পূর্ণ সূর্যালোক প্রয়োজন।
পানি: নিয়মিত পানি দিন; মাটি আর্দ্র রাখুন তবে জলাবদ্ধতা এড়িয়ে চলুন।
মাটি: উর্বর, ঝুরঝুরে ও ড্রেনেজযুক্ত মাটি ব্যবহার করুন।
সার: প্রতি ২–৩ মাস অন্তর জৈব বা কম্পোস্ট সার দিলে গাছ সুস্থ থাকে ও ফুল বেশি ফোটে।
ছাঁটাই: ফুল ফোটা শেষ হলে হালকা ছাঁটাই করলে গাছ ঘন হয় এবং নতুন কুঁড়ি গজায়।
উপযোগী ব্যবহার: বাগান, বারান্দা, ছাদবাগান বা আঙিনায় সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে অনন্য।
লাল কাঠগোলাপ
একটি শক্তপোক্ত ও শোভাময় গাছ, যা তার লাল গোলাপের মতো রঙিন ফুল এবং সবুজ পাতার জন্য পরিচিত। এটি টব, বারান্দা বা খোলা মাটিতে লাগানো যায় এবং বাগানকে করে তোলে আরও আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত। ফুলের রঙ ও কাঠের মজবুত বৈশিষ্ট্য একসাথে এই গাছকে বাগানপ্রেমীদের কাছে বিশেষভাবে জনপ্রিয় করে তুলেছে।
বিশেষত্ব:
ঝলমলে লাল ফুল
টব, বারান্দা বা খোলা মাটিতে মানানসই
দ্রুত বৃদ্ধি ও কম যত্নের প্রয়োজন
বাগান ও বারান্দার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: প্রচুর সূর্যালোক প্রয়োজন।
পানি: মাটি সামান্য শুকালে পানি দিন; জলাবদ্ধতা এড়িয়ে চলুন।
মাটি: উর্বর, ঝুরঝুরে ও ড্রেনেজযুক্ত মাটি।
সার: প্রতি ২–৩ মাসে হালকা জৈব বা তরল সার প্রয়োগ করলে ফুলের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
ছাঁটাই: ফুল ফোটা শেষ হলে হালকা ছাঁটাই করলে গাছ ঘন হয় ও নতুন কুঁড়ি গজায়।
উপযোগী ব্যবহার: বাগান, বারান্দা, প্রবেশপথ বা ছাদবাগানের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য অনন্য।
গন্ধরাজ ফুল
গন্ধরাজ হলো একটি চিরসবুজ শোভাময় ফুলের গাছ, যা তার মনোমুগ্ধকর সাদা ফুল ও সুগন্ধির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ফুল সাধারণত রাতে বা সকালের দিকে সবচেয়ে বেশি সুবাস ছড়ায়, যা ঘর বা বাগানকে করে তোলে আরও মনোরম ও প্রাণবন্ত। এটি টব, বারান্দা বা খোলা বাগানে সহজেই জন্মাতে পারে এবং কম যত্নে দীর্ঘদিন টিকে থাকে।
বিশেষত্ব:
সাদা, সুগন্ধযুক্ত মনোমুগ্ধকর ফুল
টব, বাগান বা বারান্দার জন্য উপযোগী
দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং সহজ পরিচর্যা সম্ভব
ঘরের পরিবেশে প্রাকৃতিক সুগন্ধ ছড়ায়
ফুল ও পাতার সৌন্দর্য বাড়ায়
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: উজ্জ্বল কিন্তু পরোক্ষ আলো সবচেয়ে উপযুক্ত। সরাসরি সূর্যপশুর রোদ পাতা ঝুলিয়ে দিতে পারে।
পানি: নিয়মিত পানি দিন; মাটি সামান্য আর্দ্র রাখুন, তবে জলাবদ্ধতা এড়িয়ে চলুন।
মাটি: উর্বর, ঝুরঝুরে ও ড্রেনেজযুক্ত মাটি ব্যবহার করুন।
সার: প্রতি ২–৩ মাস অন্তর জৈব বা তরল সার ব্যবহার করলে গাছ সুস্থ থাকে ও ফুলের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
ছাঁটাই: পুরনো বা হলদে পাতা ও ফুল কেটে দিলে নতুন কুঁড়ি গজায়।
উপযোগী ব্যবহার: বাগান, বারান্দা, লিভিং রুম বা আঙিনা সাজাতে এবং ঘরে প্রাকৃতিক সুগন্ধ ছড়াতে আদর্শ।
হাসনাহেনা ফুল গাছ
হাসনাহেনা হলো একটি চিরসবুজ শোভাময় গাছ, যা সন্ধ্যার পর ফুটে মনোমুগ্ধকর সাদা-কমলা রঙের ছোট ফুল দিয়ে বাগানকে করে তোলে প্রাণবন্ত। ফুলের সুবাস খুবই মনোরম এবং গাছের সৌন্দর্য বাড়ায়। এটি মধ্যম আকারের গাছ, যা টব, বারান্দা বা খোলা মাটিতে সহজেই লাগানো যায়। এছাড়াও এর ঔষধি গুণের জন্য প্রচলিত।
বিশেষত্ব:
সন্ধ্যার পর ফুটে মনোমুগ্ধকর সাদা-কমলা ফুল
মাঝারি আকারের গাছ, সহজে টব বা বাগানে মানায়
সুগন্ধযুক্ত ফুল পরিবেশকে প্রাণবন্ত করে
ঔষধি গুণে সমৃদ্ধ
ইনডোর ও আউটডোর উভয় পরিবেশে মানানসই
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: উজ্জ্বল সূর্যালোক প্রয়োজন, তবে অর্ধছায়াতেও টিকে থাকে।
পানি: নিয়মিত পানি দিন; মাটি আর্দ্র রাখুন কিন্তু জলাবদ্ধতা এড়িয়ে চলুন।
মাটি: উর্বর, ঝুরঝুরে ও ড্রেনেজযুক্ত মাটি।
সার: প্রতি ২–৩ মাস অন্তর জৈব সার ব্যবহার করলে গাছ সুস্থ থাকে এবং ফুল বেশি ফোটে।
ছাঁটাই: ফুল ফোটা শেষ হলে হালকা ছাঁটাই করলে গাছ ঘন হয় ও নতুন কুঁড়ি গজায়।
উপযোগী ব্যবহার: বাগান, বারান্দা, ছাদবাগান বা আঙিনায় শোভা ও সুগন্ধ বৃদ্ধিতে অনন্য।

























