বাগানবিলাস (ডবল কালার)
বাগানবিলাস (ডবল কালার)
একটি অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন ও শোভাময় ফুলের গাছ, যা তার বড়, দ্বি-রঙের (ডবল কালার) ফুলের জন্য পরিচিত। এটি বাগান, বারান্দা বা টবে সহজেই জন্মায় এবং মাঝারি যত্নে দীর্ঘদিন টিকে থাকে। ডবল কালারের ফুল গাছকে করে তোলে আরও রঙিন, প্রাণবন্ত এবং মনমোহন।
বিশেষত্ব:
বড়, দ্বি-রঙের (ডবল কালার) ফুল
টব, বারান্দা বা বাগানে মানানসই
মাঝারি যত্নে টিকে থাকে
বাগান বা আঙিনার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে
প্রাকৃতিক শোভা ও সতেজতা যোগ করে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: প্রচুর সূর্যালোক প্রয়োজন।
পানি: নিয়মিত পানি দিন; মাটি সামান্য আর্দ্র রাখুন তবে অতিরিক্ত পানি এড়িয়ে চলুন।
মাটি: ঝুরঝুরে, ড্রেনেজযুক্ত ও উর্বর মাটি ব্যবহার করুন।
সার: প্রতি ২–৩ মাসে হালকা জৈব সার ব্যবহার করলে গাছ সুস্থ থাকে এবং ফুল বেশি ফোটে।
ছাঁটাই: পুরনো বা শুকনো শাখা ছেঁটে দিলে নতুন কুঁড়ি দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
উপযোগী ব্যবহার: বাগান, বারান্দা বা টবে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, রঙিন ফুল এবং মনমোহন শোভা বৃদ্ধি করতে আদর্শ।
Description
বাগানবিলাস (ডবল কালার)
একটি অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন ও শোভাময় ফুলের গাছ, যা তার বড়, দ্বি-রঙের (ডবল কালার) ফুলের জন্য পরিচিত। এটি বাগান, বারান্দা বা টবে সহজেই জন্মায় এবং মাঝারি যত্নে দীর্ঘদিন টিকে থাকে। ডবল কালারের ফুল গাছকে করে তোলে আরও রঙিন, প্রাণবন্ত এবং মনমোহন।
বিশেষত্ব:
বড়, দ্বি-রঙের (ডবল কালার) ফুল
টব, বারান্দা বা বাগানে মানানসই
মাঝারি যত্নে টিকে থাকে
বাগান বা আঙিনার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে
প্রাকৃতিক শোভা ও সতেজতা যোগ করে
যত্ন নির্দেশিকা:
আলো: প্রচুর সূর্যালোক প্রয়োজন।
পানি: নিয়মিত পানি দিন; মাটি সামান্য আর্দ্র রাখুন তবে অতিরিক্ত পানি এড়িয়ে চলুন।
মাটি: ঝুরঝুরে, ড্রেনেজযুক্ত ও উর্বর মাটি ব্যবহার করুন।
সার: প্রতি ২–৩ মাসে হালকা জৈব সার ব্যবহার করলে গাছ সুস্থ থাকে এবং ফুল বেশি ফোটে।
ছাঁটাই: পুরনো বা শুকনো শাখা ছেঁটে দিলে নতুন কুঁড়ি দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
উপযোগী ব্যবহার: বাগান, বারান্দা বা টবে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, রঙিন ফুল এবং মনমোহন শোভা বৃদ্ধি করতে আদর্শ।













Reviews
There are no reviews yet.